নিজস্ব প্রতিবেদক:

ঐতিহ্য ধরে রাখতে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে আবারও শুরু হচ্ছে ফেরি চলাচল। পাশাপাশি পদ্মা নদী বাঁচাতে ড্রেজিং এর কোন বিকল্প নেই বলে,মন্তব্য করেছেন,নৌ-পরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) ড.এম সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি বলেন,উন্নত বিশ্বের মত বাংলাদেশে নদী বাঁচাতে যুগোপযোগী উদ্বেগ নেয়া না হলে, হুমকিতে পড়বে জীববৈচিত্র্য ও নদী কেন্দ্রিক মানুষের জীবন জীবিকা।
বৃহস্পতিবার বেলা ১টার দিকে,শিমুলিয়া ঘাটে বিআইডাব্লিউটিএর বিশেষ প্রশিক্ষণ ‘কেন্দ্র ড্রেজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের’ উদ্বোধন ও শিমুলিয়া ঘাট নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে আয়োজিত, মাস্টার প্লান বিষয়ক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় সেমিনারে বিআইডাব্লিউটিএর পক্ষ থেকে ঘাট এলাকায় আন্তর্জাতিক মানের পোর্ট নির্মাণ সহ গুরুত্বপূর্ণ ১০টি প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়।
পরে যত দ্রুত সম্ভব ৩টি প্রস্তাব বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হবে বলে,জানিয়েছেন, উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি বলেন,নাব্যতা সংকটে পদ্মায় নিয়মিত ড্রেজিং এবং ইমের্জেন্সী ফেরি চলাচল দ্রুত সময়ে চালু করা হবে।  নদী বাঁচাতে ড্রেজিং কার্যক্রম দ্রুত চালু করা আর ঘাটের ঐতিহ্য ফিরাতে ফেরি চলাচল চালু করা খুবই জরুরি। এখানে পোর্ট নির্মাণ সহ যে প্রকল্পগুলো প্রস্তাবনা আকারে উপস্থাপন করা হয়েছে তা সবগুলোই করা সম্ভব বলেও জানান তিনি।
সেমিনারে বিআইডাব্লিউটিএর পক্ষ থেকে ঘাট এলাকায় আন্তর্জাতিক মানের পোর্ট নির্মাণ,ইকো পার্ক,কনভেনশন হল ,রিভার মিউজিয়াম,পাবলিক এ্যাকুরিয়াম,ওয়াকওয়ে,কমার্সিাল বিল্ডিং নির্মাণ সহ প্রায় ১০টি প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়।
এরপর সেমিনার চলাকালী,দুই সপ্তাহব্যাপী বেসিক ড্রেজিং অপারেশন কোর্সের উদ্বোধন করেন তিনি। পরে ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ঘুরে দেখেন উপদেষ্টা।
এতে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান কমডোর আরিফ আহমেদ মোস্তফা।
বিআইডব্লিউটিএর শিমুলিয়া ড্রেজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের মাষ্টার মেরিন অধ্যক্ষ ( অঃদাঃ) ক্যাপ্টেন মোঃ শাহজাহান,এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রেজাউল করিম, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম,লৌহজং উপজেলার নির্বাহী অফিসার মো.নেছার উদ্দিন সহ বিআইডাব্লিটিএর উর্ধতন কর্মকর্তারা সহ স্থানীয় প্রশাসনের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা।