
নিজস্ব প্রতিবেদক:
মুন্সিগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের দফায় দফায় সংঘর্ষ ও টেটাযুদ্ধে উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে৷ আহতদের মধ্যে বেশকয়েকজন কে উদ্ধার করে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার দুপুর ১টার দিকে জেলার সিরাজদিখান উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের বালুরচর বাজার চৌরাস্তায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
ইউনিয়নটির মোল্লাকান্দি ও খাসমহল গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে এ সংঘর্ষ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ ও স্থানীয়রা। এ সময় অন্তত ১০টি দোকানপাট ভাঙচুর করা হয়।
খবর পেয়ে,সেনাবাহিনী ও সিরাজদিখান থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় মোতায়েন রয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ। তবে এই ঘটনায় আহতদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,বালুচর বাজারে মোল্লাকান্দি গ্রামের সুরুজ মিয়ার ছেলে শাহীন বেপারী (৩২) তার মালিকানাধীন একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা গ্যারেজে ৬ মাসের বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রাখেন।
সোমবার দুপুরে সিরাজদিখান পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের এক কর্মকর্তা বকেয়া বিল চাইতে গেলে শাহীন বেপারীর সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়।
এ সময় খাসমহল গ্রামের আনোয়ার সর্দারের ছেলে সুলতান সর্দার (৪০) বিদ্যুৎ কর্মকর্তার পক্ষ নিলে শাহীন ও সুলতানের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়।
পরে তা সংঘর্ষের রুপ নিয়ে দ্রুত দুই গ্রামের মধ্যে ছড়িয়ে পরে। এরপর একপর্যায়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও টেটা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

বালুচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আওলাদ হোসেন বলেন,‘তুচ্ছ একটি বিষয় নিয়ে দুই গ্রামের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে টেঁটাবৃদ্ধ সহ গুরুতর আহত হয়েছেন প্রায় ১০ জন। এখন পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে,সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহেদ আল মামুন বলেন,তুচ্ছ ঘটনা কে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী উপস্থিত হয়। সন্ধ্যার দিকে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় যারা জড়িত,তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
