
জাফর মিয়া,মুন্সিগঞ্জ:

নিহতের স্ত্রী ফাতেমা আক্তার জানান, গতকাল বিকাল ৩টায় স্বাধীন নামের পূর্ব পরিচিত এক ব্যক্তি বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায় নিহত সানা মাঝিকে। পরে রাত ১১ টার দিকে সড়কে মরদেহ পরে থাকার খবর পান তারা। কিন্তু আতঙ্কে নিজেরা মরদেহ উদ্ধার না করে খবর দেন পুলিশকে।
তিনি বলেন, আরও ২৭ বছর আগে আমার শশুর মোহাম্মদ মাঝিকে গুলি করে হত্যার মধ্য দিয়ে এই দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। এর কয়েক বছর পর খুন হন আমার শশুর হত্যা মামলার আসামি বাবু মাঝির ভাই শিপন মাঝি। শিপন হত্যাকাণ্ডের সাথে আমার স্বামীর সম্পৃক্ততা রয়েছে এমনটা সন্দেহ থেকেই তাকে হত্যা করেছে বাবু মাঝি।

এদিকে হত্যার পর এ ঘটনার দায় স্বীকার করে ফেসবুকে একটি পোষ্ট করেছেন বাবু মাঝি। সেখানে তিনি লেখেন,সিপন মাঝির হত্যার বদলা আমি একে একে নিমু।
মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আতাউল করিম জানান, রাত ৩টার দিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে মরদেহ নিয়ে আসা হয়। এসময় নিহতের শরীরের পা-মাথাসহ একাধিক স্থানে ক্ষতচিহ্ন ছিলো।

মুন্সিগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম সাইফুল আলম বলেন,এলাকায় ডাকাত আটক করা হয়েছে এরকম খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। পরে সানা মাঝির মরদেহ ও শর্টগান উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও বলেন,নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। মাকহাটি এলাকার বাবু মাঝির সাথে সানা মাঝির দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধ রয়েছে। সেই শত্রুতার জেরে এই হত্যাকান্ড ঘটে থাকতে পারে। ঘটনাটি খতিয়ে দেখে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।
