
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই আকস্মিক পদ্মার ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার শিলই ইউনিয়নের নদী তীরবর্তী বেশ কয়েকটি গ্রামে। ফলে বসতভিটা, কৃষিজমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মসজিদ সহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন অবকাঠামো রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে ঘন্টা ব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী। এতে অংশনেয় নদী ভাঙ্গন কবলিত অন্তত দেড় শতাধিক ভুক্তভোগী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে উপজেলার শিলই ইউনিয়নের পূর্বরাখি গ্রামের ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় অবস্থান নিয়ে পূর্বরাখি গ্রামবাসীর ব্যানারে মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের তাগিদ দেয়া হয়।
মানববন্ধনে অংশ নেয়া ভুক্তভোগীরা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পদ্মার ভাঙন চললেও কার্যকর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রতিবছর পূর্বরাখি গ্রামের নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। এতে বিগত কয়েক বছরে অন্তত শতাধিক পরিবার ভিটেমাটি হারিয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি,সম্প্রতি দেখা দেয়া ভাঙনে বাস্তুচ্যুত হওয়ার আশঙ্কায় মানবেতর জীবনযাপন করছে অর্ধ শতাধিক পরিবার। ফলে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পুরো জনপদ, ফসলি জমি এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে বক্তব্য রাখেন, মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব মো.মাহবুব হাসান সোহাগ। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন শাহাদাত হোসেন বেপারী, মো. পিয়ার হোসেন বেপারী, মো. মহি মল্লিক, মুফতী আবু সাইদ, মো. ইকবাল খান সহ আরো অনেকে।

বক্তারা কর্মসূচিতে, অবিলম্বে নদীভাঙন রোধে টেকসই বাঁধ নির্মাণ সহ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ও কংক্রিট ব্লক নিক্ষেপ এবং দীর্ঘমেয়াদি নদীশাসন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি জানান। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, শিলই ইউনিয়নের মানুষকে পদ্মার অব্যাহত ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করতে এখনই জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
