দুপুরে কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সভাকক্ষে কর্মবিরতি কারণ ব্যাখ্যা করে সংবাদ সম্মেলন করেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বাংলাদেশ পলিটেকনিক শিক্ষক পরিষদের সভাপতি ইন্দ্রজিত কুমার সাহা বলেন, ‘সরকারের ভিশন ও মিশন অর্জনের জন্য অমানবিক পরিশ্রম করে শিক্ষক-কর্মচারীরা ২য় শিফটের শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। এই অতিরিক্ত শিক্ষার্থীদের জন্য কোনো জনবল বৃদ্ধি করা বা পদ সৃষ্টি করা হয়নি। আমরা সরকারের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের পে-স্কেল অনুসারে ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের জুন পর্যন্ত মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে সম্মানী ভাতা পেয়েছিলাম। কিন্তু গত বছরের জুলাই থেকে এক আদেশ জারির মাধ্যমে তা ২০১৯ স্কেলের মূল বেসিকের ৫০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়। নতুন এই আদেশ অমানবিক। আমরা আর দ্বিতীয় শিফট চাই না।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন-বাংলাদেশ পলিটেকনিক শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন, বাংলাদেশ পলিটেকনিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ পলিটেকনিক কর্মচারী সমিতির সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক মনোয়ারুল ইসলাম প্রমুখ।
